Templates by BIGtheme NET

তাজুলসহ ও জামায়াতের বিরুদ্ধে অবমাননার শুনানি ২২ মার্চ

এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের রায় নিয়ে মন্তব্য করায় আইনজীবী তাজুল ইসলাম ও জামায়াত-শিবিরের ৬ নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা আদালত অবমাননারি রুলের পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২২ মার্চ ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আসামিপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আদেশের জন্য এই দিন ঠিক করেন।

মো. তাজুল ইসলাম ব্যতীত জামায়াত শিবিরের অন্য ৬ নেতা হলেন-ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমদ, জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা: শফিকুর রহমান শিবিরের সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমান।

আদালতে জামায়াত নেতাদের পক্ষে অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম ১১ পৃষ্টার লিখিত জবাব দাখিল করেন ও লিখিত জবাবের উপর শুনানির জন্য সময় আবেদন করেন।

তাজুল ইসলামের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল ও অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম।

রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাডভোকেট জেয়াদ আল মালুম ও তুরিন আফরোজ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি আদালতে তাজুল ইসলামের পক্ষে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার বদরুদোজ্জা বাদল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা সম্বলিত লিখিত জবাব দাখিল করেন।

জেয়াদ আল মালুম জানান, তাজুল ইসলাম আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। আর জামায়াত নেতারা জবাবের জন্য সময় চেয়েছেন।

গত ১২ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায় নিয়ে মন্তব্য করায় জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমদ, শিবিরের সভাপতি আবদুল জব্বার ও জামায়াতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামসহ ৬ জনকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) দেন আদালত।

অন্য ৩ জন হলেন- জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান ও ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমান।

ওই দিন শোকজ নোটিশে ‘কেন তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না’ এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত,জামায়াত নেতা আজহারের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়ার পর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন যে সাক্ষ্য-প্রমাণ দিয়েছে সেটা গ্রহণ না করে ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলা হলেই সুবিচার হতো। এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে উত্থাপিত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ফাঁসি তো দূরের কথা প্রসিকিউশনের জরিমানা করা হলে ভালো হতো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

teletalk

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful