Templates by BIGtheme NET

চিকিৎসক বিহীন এফডিসির মেডিকেল

ইয়াসিন জাহান অভি: চিকিৎসা সেবা নিতে আসা এফডিসির একজন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, এখানে নামে মাত্র প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। কোনরকম দায়সারাভাবে সেবা দিয়ে থাকে তারা। বড় কোন ধরনের সমস্যা বা জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে বেসরকারি মেডিকেল বা অন্যকোন ব্যবস্থা গ্রহন করতে হয়।

ডাক্তারের সহযোগি হিসেবে কর্মরত আতাউর রহমান বলেন, ‘প্রায় চার মাস হতে চলল কোন মেডিকেল অফিসার নেই। আমিই প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেয়া থেকে শুরু করে সবকিছু করে থাকি। মাঝে মাঝে বড় কোন ধরনের কাঁটাছেড়া বা অন্যকোন জরুরি সেবা আমিই প্রদান করি। আমি যে কয়েকদিন ধরে আছি এরমধ্যে ৪ থেকে ৫ জন চিকিতসক চলে গেছেন। এছাড়াও এখানে কেউ আসলে বেশীদিন থাকতে চায় না।’

এ বিষয়ে এফডিসির এমডি হারুনর রশীদ বলেন, ‘এখানে সবসময়ের জন্য চিকিৎসক থাকেন না। যিনি আসেন তিনি খন্ডকালীন দু-তিন ঘন্টার জন্য আসেন। এছাড়া এফডিসির মেডিকেল সেন্টারে মূলত প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। জরুরি কোন সমস্যা হলে এফডিসির অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে মেডিকেলে পাঠিয়ে দেই।’

বিএফডিসির মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসা সেবা নিয়ে বিএফডিসির সহ-অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এফডিসির ক্যান্টিনের সামনে কথা হয় শিউলি, শারমিন, অপুসহ বেশ কয়েকজনের সঙ্গে। তারা বলেন, ‘যেখানে ডাক্তারের কাছ থেকে মানুষ যেকোন ধরনের ঔষধ বা জরুরি সেবাগ্রহন করে, সেখানে তার কমপাউন্ডারের কাছ থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করতে হয় আমাদের। এরপর যদি বড়কোন ধরনের সমস্যা হয় তখন এখানকার ডাক্তারের আশায় আর বসে থাকার সময় কই?’

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাপরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘মেডিকেল সেন্টারে যে চিকিৎসক নেই, তা আমার জানা ছিলনা। যেহেতু এখানে শ্যুটিং হয় তাই তাৎক্ষনিক যে কোন ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। অথবা যে কেউ অসুস্থ হতে পারে। তাই খুব দ্রুত এখানে চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া দরকার। এ ব্যাপরে যথাযথ কর্তপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করবেন বলে আশাকরি।’

বিএফডিসির মেডিকেল সেন্টারে ঢুকতেই দেখা যায় একটি বড় টেবিল আর তিনিটি চেয়ার রয়েছে। এছাড়া দেয়ালের বামপাশে মাঝারি আকারের কক্ষ রয়েছে যেখানে বিছানা, মেডিকেল যন্ত্রপাতি, আলমারিসহ সবকিছু পরিপাটি অবস্থায় সাজানো রয়েছে। নেই শুধু পরিপূর্ণ চিকিৎসা সেবা প্রদান করার মত একজন ডাক্তার।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারন সম্পাদক অমিত হাসান বলেন, ‘বাংলা চলচ্চিত্রের মূল কেন্দ্র বিএফডিসি। শ্যুটিং করতে গিয়ে শিল্পীরা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা এখানেই দেওয়া হয়। এখানে যেহেতু মেডিকেল অফিসার নেই তা খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি ব্যাপার। বিষয়টি খুবই ঝুঁকিপূর্ন। তবে বিএফডিসি যেহেতু সরকারি প্রতিষ্ঠান, তাই চিকিৎসক নিয়োগও একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সম্পন্ন হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.

teletalk

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful