Templates by BIGtheme NET

খাদ্যাভ্যাসে কলার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

আপনি যদি কলা পছন্দ করে থাকেন তাহলে সেটা সম্ভবত তার মোলায়েমতা ও মিষ্টি স্বাদের জন্য। কিন্তু এ ফল প্রতিদিন খাওয়ার কোন কারণ নেই। কলা পটাসিয়াম, ফাইবার ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, এবং তাতে পটেটো চিপস বা কুকিজ চেয়ে অনেক কম ক্যালরি থাকে। যদি কারো মধ্যে এই লক্ষণ গুলো দেখা দেয়, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব তার জন্য কলাকে পরিত্যাগ করা উচিৎ।

কলা খাওয়ার সম্ভাব্য ঝুঁকি:

১। কলা কিছু মানুষের জন্য গ্যাস এবং ব্লোয়েটিং (Bloating) এর কারণ হতে পারে।

২। হার্ভার্ড হেলথ পাবলিকেশন অনুজায়ী, কলা থেকে মানুষের বিভিন্ন স্বস্থ্য ঝুঁকির লক্ষণ দেখা দিতে পারে। যেমন, খিটখিটে অন্ত্র সিন্ড্রোম,ডায়রিয়া, ব্লোয়েটিং এবং শিরটান ইত্যাদি।

৩। যদিও কলা অপক্ষাকৃত হালকা ফল, প্রতিটি মাঝারি সাইজের কলায় ১০৫ ক্যালোরি রয়েছে। যা আপনার শরীরের চর্বি বাড়িয়ে দিয়ে আপনার ওজন বৃদ্ধি করতে পারে। কলার ক্যালোরি আপনার শরীরে জমা হয়ে এই অতিরিক্ত চর্বি বৃদ্ধি করে থাকে।

এবং কলা অপেক্ষাকৃত হালকা যদিও – প্রতিটি মাঝারি ফল শুধু 105 ক্যালোরি রয়েছে – শরীরের আপনার শরীরের চর্বি হিসাবে দোকানে হিসাবে, হতে পারে আপনার বিদ্যমান ওজন রক্ষণাবেক্ষণ খাদ্য বাড়তি ক্যালোরি তাদের যোগ।

তবে কলায় শুধু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াই নেই এর অনেক ভালো গুণাবলীও রয়েছে, প্রতিটি কলায় থাকে তিনটি প্রাকৃতিক চিনি– সুক্রোজ, ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজ, আরও থাকে প্রচুর ফাইবার যা দেয় শরীরকে যোগান দেয় তাৎক্ষণিক শক্তি। ৯০ মিনিটের কষ্টসাধ্য ব্যায়ামের জন্য শক্তি যোগাতে দুটো কলাই যথেষ্ট! এজন্যই পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষের কাছে কলা এতো বেশি পছন্দের একটি খাবার। সূত্র: লাইভস্ট্রং।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

teletalk

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful