Templates by BIGtheme NET

নিত্যপণ্যের চড়া দাম: নাজেহাল ভোক্তারা

রমজানে বাড়তি মুনাফা লাভের আশায় অনেকটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন মেহেরপুর বাজারের সবজি বিক্রেতারা। চাহিদা বেশি থাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে বিক্রি করছেন হরেক রকম সবজি।

সবজির পাশাপাশি মাছ ও ইফতারি পণ্যের বিক্রিতেও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ফল বিক্রেতারাও দাম হাঁকাচ্ছেন ইচ্ছেমতো। দাম বেড়েছে, বেগুন, শসা, মাছ ও মুরগির। স্বাভাবিক দামের তুলনায় এসব পণ্যের কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা।

রমজানে জেলার হাটবাজারে নিত্যপণ্যের চড়া দাম আর বাজার পর্যবেক্ষণে দুর্বলতা থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক ভোক্তা।

ভোক্তাদের অভিযোগ, রমজান মাসে বাজার পর্যবেক্ষণ না থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট তৈরি করে নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়েছেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত বাজার পর্যবেক্ষণে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

শহরের হোটেল ব্যবসায়ী হাসান মণ্ডল দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘প্রতিবছর রমজান আসলে সবজি বাজারে আগুন লাগে। এটা নতুন কিছু নয়। রমজানের আগে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার পর্যবেক্ষণ করতে টিম গঠনের কথা বলা হলেও বাস্তবে এর দেখা পাইনি কোনোদিন।’

সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামের সবজি চাষী শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জমি থেকে বেগুন তুলে বাজারে গিয়ে বিক্রি করতে হয় ২০ টাকা কেজি দরে। আর সেই বেগুন আড়ৎ থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা কিনে নিয়ে ৫০ থেকে ৬০ দরে বিক্রি করছে। রমজান মাসে সবজির দাম বাড়লেও আমরা দাম পাই না।’

তিনি বলেন, ‘বাজারের কিছু আড়ৎদার ও ব্যবসায়ী এইভাবে সবজির দাম বাড়ায়। আর আমরা সাধারণ চাষীরা তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছি।’

মেহেরপুর বড়বাজার, হোটেল বাজার, গাংনী ও মুজিবনগর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রমজানের প্রথম দিন থেকে বাজারে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকা কেজি দরে। শসা ও মাছসহ ইফতারি পণ্যের দামও স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ বেড়েছে।

জেলার বিভিন্ন বাজারে মরিচ ৬০ টাকা, শসা ৫০ টাকা দরে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। রমজানের আগে শসা ৭-১০ টাকা, বেগুন ২০-২৫ টাকা এবং কাঁচা মরিচের প্রতিকেজি মূল্য ছিল ২০ টাকা।

তবে স্বাভাবিক রয়েছে চাল, ডাল, ছোলা ও তেলসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম।

বড়বাজারের সবজি ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার দ্য রিপোর্টকে জানান, বাজারে সবজি কম আমদানি হওয়ায় হঠাৎ করে এর দাম বেড়েছে। তাছাড়া আড়ৎ থেকে বেশি দামে সবজি কিনতে হয় বলে আগের থেকে একটু বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মাহমুদ হোসেন দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সবজি বাজারে কিছু পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রয় করছে বলে আমি জানতে পেরেছি। বাজার মনিটরিং কমিটি ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্দেশ দিয়েছি প্রতিদিন বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য।’

রমজানে কোনোভাবেই পণ্যের কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি করে তিনি বলেন, ‘শুধু মেহেরপুর বাজারই নয়, গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও স্থানে রমজান মাসে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

teletalk

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful