Templates by BIGtheme NET
5

সুইস ব্যাংকের কাছে অসহায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারকারীদের ব্যাপারে সুইস ব্যাংকের কাছে বার বার তথ্য চেয়ে চিঠি দেওয়া হলেও এ ব্যাপারে তেমন আগ্রহও দেখাচ্ছে না সুইস ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

অর্থ পাচারের তথ্য প্রকাশের পর বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগের পক্ষ থেকে সমঝোতা চুক্তি সইয়ের আগ্রহ দেখিয়ে চিঠি দেওয়ার এক মাস পেরিয়ে গেলেও সুইস ব্যাংক কোনো জবাব দেয়নি।

এর আগে গত বছরও একই ধরনের চিঠি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ঐ চিঠিরও এখন পর্যন্ত জবাব পাওয়া যায়নি।

সূত্র জানায়, টাকা পাচারের নিরাপদ জায়গা হিসেবে সুইস ব্যাংকের পরিচিতি বিশ্বজুড়ে। দীর্ঘদিন সরকারি পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা করে সুইস ব্যাংকে হিসাব ধারীদের ব্যাপারে তথ্য পেয়েছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র। গত বছর থেকে বাংলাদেশও একই ধরনের চেষ্টা করছে। কিন্তু সুইস ব্যাংক কোন সাড়া দিচ্ছেনা।

বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, আমরা গত মাসে চিঠি দিয়ে সমঝোতা করতে চেয়েছি। কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত কোন জবাব দেয়নি। আমরা আশা করছি দ্রুত তারা আমাদের সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসবে।

সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী সুইস ব্যাংকে ২০১৪ সালে বাংলাদেশিদের অর্থ জমা রয়েছে ৫০ কোটি ৬০ লাখ সুইস ফ্রা, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা চার হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা (এক ফ্রা ৯০ টাকা হিসেবে)। ২০১৩ সালের জমা তিন হাজার ২৩৬ কোটি টাকা থেকে তা এক হাজার ৩১৮ কোটি টাকা বেশি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকেও সুইস ব্যাংক কর্মকর্তা ও সুইস সরকারের সাথে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হচ্ছে তারা এখন পর্যন্ত কিছু বলেনি। তবে দ্রুত এ ব্যাপারে একটি সমঝোতা হবে বলে আমরা আশা করছি।

এদিকে, গত বছর সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদনে বাংলাদেশিদের তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্য বিনিময়ের আগ্রহ দেখিয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করতে চিঠি দেয় সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে।

কিন্তু এখন পর্যন্ত ওই চিঠির কোনো জবাব পাইনি বাংলাদেশ ব্যাংক। তাছাড়া হংকং-সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশনের (এইচএসবিসি) মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচারের ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরও একই আগ্রহের কথা জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারো চিঠি দেয় সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এর জবাবও পায়নি বাংলাদেশ ব্যাংক।

উল্লেখ্য, সুইস ব্যাংক কখনোই আমানতকারীদের তথ্য প্রকাশ করে না, টাকার পরিমাণও জানতে দেয় না। ব্যাংক টাকা জমা রাখে একটি কোড নম্বরের ভিত্তিতে। বেশ কয়েক বছর ধরেই আন্তর্জাতিকভাবে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে সুইজারল্যান্ড। তবে বিশ্বব্যাপি টাকা পাচার রোধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ব্যাপকভাবে কার্যকর হওয়ায় সুইস ব্যাংক গত বছর থেকে দেশওয়ারী অর্থের পরিমাণ অথাৎ সুইস ব্যাংকে থাকা সব দেশের মোট টাকার পরিমাণ প্রকাশ করছে।

www.bd24live.com

teletalk

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful