Templates by BIGtheme NET
www.bangla24live.com

বিএনপির নির্দেশনা বাস্তবায়নের ডেডলাইন আজ শেষ

তৃণমূলে পুনর্গঠন সংক্রান্ত বিএনপির কেন্দ্র থেকে পাঠানো চিঠির সাড়া দিচ্ছে না জেলা ও মহানগরের নেতারা। দলের ৭৫টি সাংগঠনিক জেলার কোনোটিই কেন্দ্রের নির্দেশ অনুযায়ী পুনর্গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেনি। একইভাবে থানা-পৌর-ওয়ার্ড কিংবা ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটিতেও আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি। গত ৯ আগস্ট পাঠানো চিঠির বেঁধে দেয়া সময়সীমা শেষ হচ্ছে আজ। সাংগঠনিক অন্তত ২০ জেলা ও মহানগরে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরুই হয়নি। অবশ্য গ্রেফতার, মামলাসহ নানা প্রতিবন্ধকতার কথাও বলছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। কোনো অগ্রগতি না হওয়া অন্তত ১৫টি সাংগঠনিক জেলা ভেঙে দেয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। এরই মধ্যে লিখিত ও মৌখিকভাবে অন্তত ৪৫টি জেলা ‘সময়’ চেয়ে কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছে বলে দলীয় সূত্র বলেছে।

জানা গেছে, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দলীয় প্রধান দেশে ফিরলেই দল পুনর্গঠনের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা দলের যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহজাহান। তার সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য নেতারাও থাকবেন। এরপরই দল পুনর্গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বেগম জিয়া। এ প্রসঙ্গে মো. শাহজাহান বলেন, ‘পুনর্গঠনের চিঠি দেয়ার পর সারা দেশেই কম-বেশি কাজ শুরু হয়েছে। নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে সময়মতো কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই বাস্তবতায় বেশ কয়েকটি জেলাকে সময়সীমা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তবে যেসব জেলায় কাজের অগ্রগতি কম, তাদের বিষয়ে দেশে ফিরে সিদ্ধান্ত নেবেন বিএনপি চেয়ারপারসন।’

জানা যায়, তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে কমিটি গঠনের কথা থাকলেও অধিকাংশ এলাকায় পকেট কমিটি গঠনের অভিযোগ উঠেছে। ত্যাগী ও জেলে থাকা নেতাদের মতামতও উপেক্ষা করা হচ্ছে। তাদের কমিটিতে রাখার ব্যাপারেও অনীহা জেলা নেতাদের। এ নিয়ে বিএনপির কেন্দ্র থেকে দুটি পর্যবেক্ষক টিম কাজ করছে। তবে পকেট কমিটি গঠন প্রক্রিয়া থেকে বের হওয়া কষ্টকর বলে জানিয়েছেন পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা একজন। তিনি প্রতিবেদককে জানান, বিভিন্ন জেলায় বিএনপির সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা যেভাবে ঝেঁকে বসেছেন, সেখানে তাদের মতামতের বাইরে যাওয়া খুবই কঠিন।

এদিকে গতকাল নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, পুনর্গঠনের সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে কাজ করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহদফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু। সারা দেশের থানা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলছেন তিনি। থানা পর্যায়ের কাজের অগ্রগতির খোঁজখবর নেওয়ার কথা বলেন টিপু। তাকে সহায়তা করছেন আরও দুই কর্মী। তাইফুল ইসলাম টিপু বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশে ফিরলেই তৃণমূলের পুনর্গঠনের চিত্রও তুলে ধরা হবে। আগামীকাল (আজ) কেন্দ্র থেকে পাঠানো চিঠির সময়সীমা শেষ হচ্ছে।

এর আগে মাঠপর্যায়ের অগ্রগতি জানতেই সারা দেশে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বরিশাল ছাড়া সব বিভাগের থানা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয়েছে। জানা গেছে, চট্টগ্রাম উত্তর, কুমিল্লা দক্ষিণ, রংপুর জেলা ও মহানগর, গাইবান্ধা, পাবনা, খুলনা মহানগর, মেহেরপুর, রাঙামাটি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম উত্তর, সিলেট জেলা ও মহানগর, সুনামগঞ্জ, পিরোজপুর, বরগুনা কাউন্সিলের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। ব্রাক্ষণবাড়িয়া ইতিমধ্যে জেলা কাউন্সিল সম্পন্ন করেছে। তবে কমিটি হয়নি এখনো। ইতিমধ্যে গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, রাঙামাটি, নীলফামারী, সৈয়দপুরসহ আটটি জেলা সম্মেলন করার জন্য কেন্দ্রের কাছে অনুমতি চেয়েছে।

সূত্রমতে, বরিশাল মহানগর ও জেলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পঞ্চগড়, রাজশাহী মহানগর, নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, ঢাকা জেলা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া, চট্টগ্রাম মহানগর, খুলনা জেলা, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই বললেই চলে।

জানা গেছে, বেঁধে দেয়া সময়সীমার মধ্যে কাউন্সিল করতে না পারলেও প্রায় ১৫টি জেলা সবগুলো ইউনিটের কমিটি শেষ করেছে। অক্টোবরের মধ্যেই ওইসব জেলা কাউন্সিল অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। কেন্দ্রের নির্দেশ পেলেই তারা কাউন্সিলের চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঠিক করবে। কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন জানান, ‘ক্ষমতাসীনদের বাধায় পুনর্গঠনের কাজে বিঘ্ন ঘটছে। তাছাড়া সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় গ্রেফতার হওয়া নেতা-কর্মীরা মুক্তি পেয়েছেন মাত্র কয়েকদিন হলো। এ অবস্থায় জেলা পুনর্গঠনের কাজ শেষ করতে আরও এক মাস সময় চেয়েছি আমরা।

teletalk

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful