Templates by BIGtheme NET
FBCCI1461776016

বাজেটে ৪৪৯টি প্রস্তাবনা দিচ্ছে এফবিসিসিআই

আগামী ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের বাজেটে আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) ও শুল্ক খাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে ৪৫০টি প্রস্তাবনা দিতে যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

বাজেট উপলক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও এফবিসিসিআইয়ের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য আগামীকালের পরামর্শক সভায় সংগঠনটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাবনাগুলো উপস্থাপন করা হবে। সংগঠনটির একটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রাইজিংবিডিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

৪৪৯টি প্রস্তাবনার মধ্যে শুল্ক খাতে সর্বোচ্চ সুপারিশ থাকছে। এ খাতে মোট ২৪১টি প্রস্তাবনা দেওয়া হচ্ছে। আয়কর খাতে ১২৪টি এবং ভ্যাট খাতে ৮৪টি প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।

২০১৪-২০১৫ এবং ২০১৫-২০১৬ উভয় অর্থবছরই ব্যক্তি খাতের করমুক্ত আয়ের সীমা আড়াই লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এক্ষেত্রে এফবিসিসিআই যুক্তি দিচ্ছে, চলতি অর্থবছর মূল্যস্ফীতি অনেক বেড়েছে। বর্তমানে প্রায় ৬ শতাংশ মূদ্রাস্ফীতি রয়েছে। কিন্তু দুই অর্থবছর ধরে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হয়নি। এ অবস্থায় নতুন অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করা উচিত হবে।

অন্যদিকে নারী ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সি করদাতার জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা, প্রতিবন্ধী করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ২৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দিচ্ছে এফবিসিসিআই।

অন্যদিকে ব্যক্তিগত কর হারের ক্ষেত্রে এফবিসিসিআইয়ের প্রস্তাব, প্রথম ৩ লাখ টাকার পরে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ হারে করারোপ করা। চলতি অর্থবছর পরবর্তী ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ কর রয়েছে। নতুন বাজেটে পরবর্তী ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ করারোপের প্রস্তাব দিচ্ছে এফবিসিসিআই। এরপর ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২০ শতাংশ ও পরবর্তী ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২৫ শতাংশ আয়করের প্রস্তাব থাকছে সংগঠনটির প্রস্তাবনায়। ৪০ লাখ টাকার ওপরে থাকছে ৩০ শতাংশ করের প্রস্তাবনা।

এফবিসিসিআইয়ের দাবি, আগামী অর্থবছর সারা দেশের করদাতার সর্বনিম্ন আয়কর ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। ব্যক্তিগত আয়করসীমা বৃদ্ধি ও করহার পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব সম্পর্কে এফবিসিসিআইয়ের যুক্তি হলো— মূদ্রাস্ফীতি, মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনা রেখে আয়করের হার পুনর্নির্ধারণ করা জরুরি। বছরে একজন মানুষের যে ন্যূনতম অর্থের প্রয়োজন, সে পরিমাণ অর্থ করমুক্ত রাখলে কর ফাঁকির প্রবণতা কমে আসবে। সামর্থ্য অনুযায়ী, কর ও সারচার্জ আরোপিত হলে বর্তমানে ব্যক্তি করদাতার সর্বোচ্চ করভার ও করপোরেট করহারের ব্যবধান কমে আসবে। ব্যক্তিগত করভার কমালে সম্পদ ও মূলধন পাচারের প্রবণতা হ্রাস পাবে, যা বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অধিক রাজস্ব আহরণে সহায়ক হবে।

পরস্তাবনায় আরো থাকছে, ব্যক্তি করদাতার প্রদর্শিত নিট সম্পদের ভিত্তিতে সরকার সারচার্জ আদায় করা হচ্ছে। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে এ ক্ষেত্রে নিট সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা হলে কর দিতে হয় না। তবে ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার ঊর্ধ্বে কিন্তু ১০ কোটি টাকার বেশি নয়— এমন সম্পদধারীকে ১০ শতাংশ হারে সারচার্জ দিতে হয়। সম্পদের মূল্য ১০ কোটি টাকার অধিক কিন্তু ২০ কোটি টাকার বেশি নয়— এমন সম্পদধারীকে ১৫ শতাংশ, ২০ কোটির বেশি কিন্তু ৩০ কোটির বেশি নয়— এমন সম্পদধারীকে ২০ শতাংশ এবং ৩০ কোটি টাকার বেশি যেকোনো পরিমাণ সম্পদের ওপর ২৫ শতাংশ হারে সারচার্জ আরোপ করা রয়েছে। এফবিসিসিআই এই সারচার্জ প্রত্যাহারের সুপারিশ করবে।

এ বিষয়ে সংগঠনটি বলছে, ‘যে নীতির ভিত্তিতে এই সারচার্জ আরোপ করা হচ্ছে তা ন্যায় ও সমতা, বিশেষ করে কর প্রয়োগের নীতির পরিপন্থী। যেহেতু নিট পরিসম্পদ করদাতাদের পূর্বতন বছরে কর পরিশোধের পর অর্জিত, সেহেতু একই নিট পরিসম্পদের ওপর পরবর্তী সময়ে বছরের পর বছর সারচার্জ আরোপ ঠিক নয়।’

এমনিভাবে শুল্ক ও ভ্যাট খাতেও পৃথক পৃথক ৩২৫টি প্রস্তাবনা উপস্থাপন করবে এফবিসিসিআই। আগামীকালের পরামর্শক সভার প্রধান অতিথি হিসেবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

teletalk

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful