Templates by BIGtheme NET
http://bangla24live.com

ঢাবির হল এবং বাইরের দোকানগুলোর খাবারের নিম্ন মান

ইয়াসিন অভি: মানুষ গড়ার কারখানা হল স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়। নিজেকে পরিপূর্ন ভাবে গড়ে তোলে দেশের জন্য জাতির জন্য। সেই জাতির কর্নধার শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে কি খায় তা দেখলে হতবাক হতে পারে সবাই। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল এবং বাইরের দোকানগুলোতে ভয়াবহ আকার ধারন করেছে খাবারের মান।

ক্যান্টিন, ডাইনিং ও বাইরের দোকানগুলোতে খেতে গেলে ভাজিতে পচা আলু, ভাতে দুর্গন্ধ, আর সঙ্গে পাথরতো থাকছেই। টাটকা ভাজা মাছেও থাকে দুর্গন্ধ। এদিকে খাবারের মান খারাপ হলেও ক্যান্টিন ও হলের বাইরে খাবারের মূল্য দিনের পর দিন আস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে নিম্ন মানের খাবার পরিবেশন করায় অপুষ্টিসহ নানা রোগে ভুগছে শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোন হস্তক্ষেপ না থাকায় খাবার দোকান মালিক চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীরা।

খাবারের দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে দ্রব্য-মূল্যের উর্দ্ধগতি, জ্বালানীর দাম বৃদ্ধিকেই দায়ী করছে দোকান মালিকরা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত ডাইনিংগুলোতে দাম কয়েক ধাপ বাড়লেও বাড়েনি কোন খাবারের মান। দাম বৃদ্ধির পর প্রথমদিকে হল প্রশাসন ডাইনিং এর খাবারের খোঁজ-খবর নেওয়ায় খাবারের মান কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও পরবর্তিতে আর কোন খোঁজ-খবর না নেওয়ায় এখন খাওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়েছে ডাইনিং এর খাবার। ফলে হলের ডাইনিংয়ে খাওয়া বাদ দিয়েছে অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা। এদিকে ডাইনিং ও ক্যান্টিনের বিকল্প হিসাবে বিভিন্ন হলে শিক্ষার্থীদের নিজ উদ্যোগে গড়ে উঠেছে একাধিক মেস। হলের ক্যান্টিন ও হলের বাইরের খাবার দোকানগুলোর খাবারের মান কিছুটা ভালো হলেও নেই খাবারের কোনো সুনির্দিষ্ট মূল্য তালিকা। কারণে অকারণে মন চাইলেই খাবারের দাম বাড়িয়ে দেয় দোকান মালিকরা। ফলে এদের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীরা।

হাকিম চত্তর ও সমাজবিঙ্গান অনুষদের সামনের খাবারের দোকান গুলোতে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। সেখানে শিক্ষার্থীদের খেয়ে রাখা প্লেট গুলো কুকুর, কাক চেটে খায়, তারপর সামান্য ধুয়েই তা আবার শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়।

জানতে চাইলে সূর্যসেন হলের এক শিক্ষার্থী পারভেজ জানান, কিছুদিন আগে আমি মুরগির গোশ খেতে গিয়ে দেখি সব রক্ত। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি, খাবারের দোকানগুলোর উপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবসময় নজর রাখলে এবং পঁচা-বাসি খাবার পরিবেশন করার জন্য বড় অংকের জরিমানার পাশাপাশি শাস্তির ব্যবস্থা করলে এ সকল অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন বন্ধ হবে।

ঢাবি প্রক্টর আমজাদ আলি বলেন, আমরা নানা রকম কর্মসূচি গ্রহন করেছি। এটা একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।

teletalk

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful