Templates by BIGtheme NET

 শুধু ডাকসু নয়, দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র সংসদের নির্বাচন চায় ছাত্রলীগ

ইয়াসিন অভি: দীর্ঘ ২৮ বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আগামী বছরের মার্চে ডাকসু নির্বাচন করার লক্ষ্যে কাজ করছে। ডাকসু নির্বাচন উপলক্ষে ইতিমধ্যে ছাত্র সংগঠনগুলোও তাদের কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছেন। বর্তমান সময়ের দেশের অন্যতম ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ডাকসু নির্বাচন উপলক্ষে ছাত্রলীগের কি ভাবনা ও উদ্যোগ সেই বিষয়ে জানতে কথা হয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শৌভন এর সঙ্গে। পাঠকদের জন্য তাঁর সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হলো:

ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে ছাত্রলীগের ভাবনা কি?
শৌভন : আমরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সবসময় ছাত্রদের নিয়ে ভাবি। তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করি। আমরা শুধু ডাকসু নির্বাচন নয়, বাংলাদের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেখানে ছাত্রদের সংসদ রয়েছে সেখানেই নির্বাচন চাই।
ডাকসু নির্বাচন প্রথম প্রত্যক্ষ ভাবে অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালে জাতির পিতার হাত ধরে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ পরিষদের সভায় অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের নেতাদের প্রতিক্রিয়া কি ছিল?
শৌভন: শুধু ছাত্রলীগই নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যতগুলো ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন রয়েছে, তারা প্রত্যেকেই ডাকসু নির্বাচন চায়। ছাত্রলীগ সব সময় এটা চায় নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিরাই ছাত্রদের প্রতিনিধিত্ব করুক, তাদের অধিকারের কথা বলুক, তাদের নৈতিক দাবির পক্ষে আওয়াজ তুলুক, পাশে দাঁড়াক।

ছাত্রদল ঢাবি ক্যাম্পাসে বর্তমানে নিষ্ক্রিয়, তারা কেন ক্রিয়াশীল দলের অন্তর্গত?  তারা কি ডাকসু নির্বাচন করতে পারবে?
শৌভন: ছাত্রদল নিস্ক্রিয় কিভাবে? তারা তো জ্বালাও-পোড়াও এ সক্রিয়। আর তাদের কেন ক্রিয়াশীল দলের মধ্যে রাখা হয়েছে তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভালো বলতে পারবে। আমাদেরকে চিঠি দেয়া হয়েছে, তারাও চিঠির মাধ্যমে আমন্ত্রিত। আমি এর নীতি নির্ধারক নই। আমি একজন ছাত্র প্রতিনিধি, এ বিষয়ে ভিসি স্যার এবং প্রোক্টর স্যার ভালো বলতে পারবেন।

ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে ছাত্রলীগের প্রস্তুতি কি?
শৌভন: বিশ্বের সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন ও বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীনতম ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে ডাকসুর ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। আমরা আশাবাদী ছাত্রলীগ মাঠে কাজ করে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে ভালবেসে তাদের মন জয় করে নির্বাচনে অংশ নিবে।

ছাত্রদল ক্যাম্পাসে ফিরলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারে কিনা, এক্ষেত্রে আপনার মতামত কি? 
শৌভন: এ বিষয়ে গত মিটিং-এ কথা হয়েছে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বিষয়টি অবহত করা হয়েছে। ছাত্রদল মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি। তবে ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীর পাশে আছে। কেননা, ছাত্রলীগ সর্বদা মানুষের অধিকারের কথা বলে, গণমানুষের নিরাপত্তার কথা বলে।

ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটি কবে নাগাদ গঠন হবে? কারা স্থান পাবে এ কমিটিতে?
শৌভন: জাতীয় নির্বাচনের আগেই আমরা পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করবো। আমরা একটি খসড়া করছি এখন। বঙ্গবন্ধু এবং মুক্তিযুদ্ধকে যারা লালন করে তারাই এই কমিটিতে স্থান পাবে।

teletalk

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful