Templates by BIGtheme NET

রায়পুরে প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে ইসলামী ব্যাংকসহ এনজিও’র বিরুদ্ধে কিস্তি আদায়ের অভিযোগ

জহিরুল ইসলাম টিটু:

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ক্ষুদ্র ও মাঝারী উদ্যোক্তাদের কিস্তি জুন পর্যন্ত না নেওয়ার সরকারী নির্দেশনা থাকলেও তা উপেক্ষা করে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের ২৩ এনজিও তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। সোমবার রাতেও একই আদেশ দিয়ে ইউএনও তার প্রশাসনিক ফেসবুক ওয়ালে সকল এনজিওকে নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু এ নির্দেশ উপেক্ষা করে মঙ্গলবার সকালে ইসলামী ব্যাংকের উন্টনয়ন প্রকল্পসহ কয়েকটি এনজিও মাঠ কর্মীদের কিস্তি উত্তোলন করতে দেখা গেছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সরেজমিনে দেখা যায়, কেরোয়া, বামনী, চরমোহনা এবং মেঘনা উপকুলীয় অঞ্চল চরআবাবিল ও চরবংশী ইউনিয়নের কয়েকটি জেলে পরিবার গ্রামে এনজিও কর্মীরা কিস্তি আদায়ের জন্য বাড়িতে বাড়িতে অবস্থান করছে। এনজিওর কর্মীরা ৭দিনের কিস্তি আদায়ের জন্য দিনমজুর ও জেলে পরিবারকে চাপ সৃষ্টি করতে দেখা যায়। অনেক পরিবার করোনা ভাইরাস সংক্রামক রোগের ভয়ে রাস্তায় বা নদীতে বের হচ্ছেনা বলে পরে কিস্তি পরিষধ করার আশ্বাস দিলেও কর্ণপাত করছেননা। উপজেলার এনজিওগুলো হলো, আশা, এসএসএস, ব্রাক, কোডেক, বুরো বাংলাদেশ, গ্রামীণ ব্যাংক, এনআরডিএস, ত্রিবেদী মহিলা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, সোফিরেট, সিদ্বীপ, উদ্দীপন, সিএসএস, টিএম এসএস, বিজ, প্রিজম বাংলাদেশ,পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী, রীমশো ফাউন্ডেশন, বাপসা, আইডিএফ, শক্তি ফাউন্ডেশন, সাগরীকা, ডরপ, সৃজনী বাংলাদেশ ও গ্রামীণ শক্তি। চরবংশী গ্রামের জেলে পরিবারের মোস্তাফা বেপারী, হজুফা বেগম ও মিহির আলী বলেন, সরকার নদীতে দুই মাস আঙ্গোরে ( আমাদের) মাছ ধরারলাই (ধরতে) মানা (নিষেধ) কইচ্ছে (করছে)। আবার করোনা ভাইরাস আইয়নে (আসায়) ঘরেরতন (ঘর থেকে) বাইরে যাইতো মানা কইচ্ছে (নিষেধ করছে)। অন আনডা কিত্তাম (এখন আমরা কি করবো)। কোন রুজি-রোজগার নাই (কোন আয় নেই)। কেমনে খামু হে চিন্তায়ে বাঁচিনা (কিভাবে খাবো সে চিন্তায় বাচিনা)। আবার কিস্তি নেওনেরলাই (নেওয়ার জন্য) কিস্তি উডাইন্না বেডারা ( মাঠ কর্মীরা) বাড়িতে আই বই রইছে (এসে বসে আছে)। অন আবার কয় আইজকায়ে কিস্তি নিব কাইলকারতন আর আর আইতোনো। ইসলামী ব্যাংক রায়পুর শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের ইসলামী উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে পৌরসভাসহ ১০ইউনিয়নের ৬ হাজার গ্রাহক আছেন। উিপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনার চিঠি দেরিতে আসায় মাঠ কর্মীরা কিস্তি আদায়ের জন্য গ্রামে চলে গেছে। বুধবার থেকে কিস্তি আদায় বন্ধ করা হবে। তবে যেসব গ্রাহক স্ব-ইচ্ছায় কিস্তি দিবেন তাদের টাকা জমা নেওয়া হবে। এছাড়াও এনজিও আশার রায়পুর ম্যানেজার এনামুল হক, ব্রাকের ম্যানেজার পঙ্কজ কুমার সরকার, কোডেকের ম্যানেজার সাইফুল আলম ও বুরো বাংলাদেশের ম্যানেজার আজিজুল হক একই কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিন চৌধুরী জানান, করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে এনজিও কার্যক্রমের আওতায় সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তি আদায় কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়াসহ লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এরপরও যদি এনজিওগুলো নির্দেশ না মানলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, সোমবার (২২ মার্চ) করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এনজিও ঋণ গ্রহীতারা কিস্তি না দিলেও জুন পর্যন্ত খেলাপী করা যাবে না। এ নির্দের্শনা দেয় সরকার। পাশাপাশি সোমবার রাতে রায়পুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিন চৌধুরী উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুক ওয়ালে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে এনজিও কার্যক্রমের আওতায় সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তি আদায় কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে লিখিতভাবে একটি পোষ্ট দেন।

teletalk

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful